পঞ্জিকার পাতায় তিথি আর বার আলাদা লেখা থাকে। কিন্তু মুহূর্তশাস্ত্রে দুটোকে একসঙ্গে দেখা হয় — একই তিথি এক বারে কাজ সিদ্ধ করে, আরেক বারে সেটাই বর্জনীয়। এই পোস্টে তিথি ও বারের শুভ মিল আর অশুভ মিলের পুরো তালিকা দেওয়া হলো, দৈবজ্ঞ রামের মুহূর্ত চিন্তামণির শুভাশুভ প্রকরণ (শ্লোক ৪–৯) ও মহীধর শর্মার হিন্দি টীকা মিলিয়ে।
তিথির পাঁচ শ্রেণি — নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা, পূর্ণা
পনেরোটি তিথি তিন পালায় পাঁচটি নামে ভাগ হয় — বরাহমিহিরের বৃহৎসংহিতা (৯৯/২) আর মুহূর্ত চিন্তামণি দুটোতেই একই ভাগ:
| শ্রেণি | তিথি | নামের অর্থ |
|---|---|---|
| নন্দা | প্রতিপদ, ষষ্ঠী, একাদশী | আনন্দদায়িনী |
| ভদ্রা | দ্বিতীয়া, সপ্তমী, দ্বাদশী | কল্যাণকারী |
| জয়া | তৃতীয়া, অষ্টমী, ত্রয়োদশী | জয়দায়িনী |
| রিক্তা | চতুর্থী, নবমী, চতুর্দশী | শূন্য, ফলহীন |
| পূর্ণা | পঞ্চমী, দশমী, পূর্ণিমা (কৃষ্ণপক্ষে অমাবস্যা) | পূর্ণতাদায়িনী |
টীকাকারের কথায় — "ইনকে জৈসে নাম বৈসে হী ফল": যেমন নাম, তেমন ফল।
📝 সতর্কতা: এখানকার "ভদ্রা" তিথির একটা শ্রেণি। পঞ্জিকায় যে ভদ্রা বর্জন করতে বলা হয়, সেটা আলাদা জিনিস — বিষ্টি করণ। দুটো গুলিয়ে ফেলবেন না; বিষ্টি করণের কথা আছে করণ নির্ণয় পদ্ধতি পোস্টে।
পক্ষভেদে তিথির মান
একই শ্লোকে পক্ষের তিন ভাগের ফলও বলা আছে:
| পক্ষ | প্রতিপদ–পঞ্চমী | ষষ্ঠী–দশমী | একাদশী–পূর্ণিমা/অমাবস্যা |
|---|---|---|---|
| শুক্লপক্ষ | অশুভ (চন্দ্র তখনো ক্ষীণ) | মধ্যম | শুভ |
| কৃষ্ণপক্ষ | শুভ | মধ্যম | অধম |
সিদ্ধা তিথি — তিথি ও বারের সবচেয়ে শুভ মিল
শ্লোকের চতুর্থ চরণ: "সিতজ্ঞভৌমার্কিগুরৌ চ সিদ্ধাঃ" — শুক্র, বুধ, মঙ্গল, শনি ও বৃহস্পতিবারে যথাক্রমে নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা তিথি সিদ্ধা:
| বার | সিদ্ধা তিথি |
|---|---|
| শুক্রবার | নন্দা (১, ৬, ১১) |
| বুধবার | ভদ্রা (২, ৭, ১২) |
| মঙ্গলবার | জয়া (৩, ৮, ১৩) |
| শনিবার | রিক্তা (৪, ৯, ১৪) |
| বৃহস্পতিবার | পূর্ণা (৫, ১০, ১৫) |
রবিবার ও সোমবারের জন্য শ্লোকে কোনো সিদ্ধা তিথি বলা নেই।
টীকায় এর প্রয়োজন বলা আছে — "সিদ্ধা তিথির্হন্তি সমস্তদোষান্": সিদ্ধা তিথি মাসশূন্য, মাসদগ্ধ, দিনদগ্ধ ইত্যাদি দোষ সরিয়ে কাজ সিদ্ধ করে।
লক্ষ্য করুন — শনিবারে রিক্তা তিথিও সিদ্ধা। অন্য দিনে যে চতুর্থী-নবমী-চতুর্দশী শুভকাজে এড়ানো হয়, শনিবারে সেগুলোই কাজ সিদ্ধ করে। আমাদের পঞ্জিকার বিবাহ-দিন গণনাও রিক্তা তিথিকে কেবল শনিবার রাতে ছাড় দেয়।
ঘাতক তিথি ও দগ্ধ নক্ষত্র — কোন বারে কোনটা বর্জনীয়
পরের শ্লোক (৫) প্রতিটি বারের একটা ঘাতক তিথি-শ্রেণি আর একটা দগ্ধ নক্ষত্র বলে। শুভকাজে দুটোই বর্জনীয়:
| বার | ঘাতক তিথি | দগ্ধ নক্ষত্র |
|---|---|---|
| রবিবার | নন্দা (১, ৬, ১১) | ভরণী |
| সোমবার | ভদ্রা (২, ৭, ১২) | চিত্রা |
| মঙ্গলবার | নন্দা (১, ৬, ১১) | উত্তরাষাঢ়া |
| বুধবার | জয়া (৩, ৮, ১৩) | ধনিষ্ঠা |
| বৃহস্পতিবার | রিক্তা (৪, ৯, ১৪) | উত্তরফাল্গুনী |
| শুক্রবার | ভদ্রা (২, ৭, ১২) | জ্যেষ্ঠা |
| শনিবার | পূর্ণা (৫, ১০, ১৫) | রেবতী |
দগ্ধ, বিষ ও হুতাশন যোগ
শ্লোক ৮ বার ধরে তিনটি নির্দিষ্ট তিথির কথা বলে। টীকা: "যে তীন যোগ নামসদৃশ ফল দেতে হৈঁ, শুভকার্যমেঁ বর্জিত হৈঁ" — যেমন নাম, তেমন ফল; শুভকাজে বর্জনীয়।
| বার | দগ্ধ যোগ | বিষ যোগ | হুতাশন যোগ |
|---|---|---|---|
| রবিবার | দ্বাদশী | চতুর্থী | দ্বাদশী |
| সোমবার | একাদশী | ষষ্ঠী | ষষ্ঠী |
| মঙ্গলবার | পঞ্চমী | সপ্তমী | সপ্তমী |
| বুধবার | তৃতীয়া | দ্বিতীয়া | অষ্টমী |
| বৃহস্পতিবার | ষষ্ঠী | অষ্টমী | নবমী |
| শুক্রবার | অষ্টমী | নবমী | দশমী |
| শনিবার | নবমী | সপ্তমী | একাদশী |
📖 শ্লোকে সংখ্যাগুলো লেখা আছে শব্দে (ভূতসংখ্যা) — যেমন দগ্ধ যোগের চরণ "সূর্যেশপঞ্চাগ্নিরসাষ্টনন্দাঃ": সূর্য = ১২, ঈশ = ১১, পঞ্চ = ৫, অগ্নি = ৩, রস = ৬, অষ্ট = ৮, নন্দ = ৯। উপরের সারণী এই শব্দগুলো ভেঙে, আর টীকার তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে।
ক্রকচ যোগ — তিথি আর বারের যোগফল ১৩
শ্লোক ৬: শনিবার থেকে উল্টো দিকে বার, আর ষষ্ঠী থেকে সোজা দিকে তিথি — অর্থাৎ তিথির সংখ্যা আর বারের সংখ্যা (রবিবার = ১ … শনিবার = ৭) যোগ করে ১৩ হলে ক্রকচ যোগ, শুভকাজে বর্জনীয়:
| বার (সংখ্যা) | ক্রকচ তিথি |
|---|---|
| রবিবার (১) | দ্বাদশী (১২) |
| সোমবার (২) | একাদশী (১১) |
| মঙ্গলবার (৩) | দশমী (১০) |
| বুধবার (৪) | নবমী (৯) |
| বৃহস্পতিবার (৫) | অষ্টমী (৮) |
| শুক্রবার (৬) | সপ্তমী (৭) |
| শনিবার (৭) | ষষ্ঠী (৬) |
একই শ্লোকে আরও দুটো দিন অধম বলা হয়েছে — বুধবারের প্রতিপদ আর রবিবারের সপ্তমী।
যমঘণ্ট যোগ — বার ও নক্ষত্রের অশুভ মিল
তিথি নয়, তবু একই প্রকরণে (শ্লোক ৯) — বার আর নক্ষত্রের এই মিলগুলো শুভকাজে বর্জনীয়, যাত্রায় অবশ্যই:
| বার | যমঘণ্ট নক্ষত্র |
|---|---|
| রবিবার | মঘা |
| সোমবার | বিশাখা |
| মঙ্গলবার | আর্দ্রা |
| বুধবার | মূলা |
| বৃহস্পতিবার | কৃত্তিকা |
| শুক্রবার | রোহিণী |
| শনিবার | হস্তা |
এক নজরে — প্রতিটি বারে কোন তিথি শুভ, কোনটা বর্জনীয়
উপরের সব সারণী এক জায়গায় (কেবল তিথি-বারের মিল; নক্ষত্রের দোষ আলাদা দেখতে হবে):
| বার | সিদ্ধা (শুভ) | বর্জনীয় |
|---|---|---|
| রবিবার | — | প্রতিপদ (ঘাতক); ষষ্ঠী (ঘাতক); একাদশী (ঘাতক); দ্বাদশী (দগ্ধ, হুতাশন, ক্রকচ); চতুর্থী (বিষ); সপ্তমী (অধম) |
| সোমবার | — | দ্বিতীয়া (ঘাতক); সপ্তমী (ঘাতক); দ্বাদশী (ঘাতক); একাদশী (দগ্ধ, ক্রকচ); ষষ্ঠী (বিষ, হুতাশন) |
| মঙ্গলবার | তৃতীয়া, অষ্টমী, ত্রয়োদশী | প্রতিপদ (ঘাতক); ষষ্ঠী (ঘাতক); একাদশী (ঘাতক); পঞ্চমী (দগ্ধ); সপ্তমী (বিষ, হুতাশন); দশমী (ক্রকচ) |
| বুধবার | দ্বিতীয়া, সপ্তমী, দ্বাদশী | তৃতীয়া (ঘাতক, দগ্ধ); অষ্টমী (ঘাতক, হুতাশন); ত্রয়োদশী (ঘাতক); দ্বিতীয়া (বিষ); নবমী (ক্রকচ); প্রতিপদ (অধম) |
| বৃহস্পতিবার | পঞ্চমী, দশমী, পূর্ণিমা/অমাবস্যা | চতুর্থী (ঘাতক); নবমী (ঘাতক, হুতাশন); চতুর্দশী (ঘাতক); ষষ্ঠী (দগ্ধ); অষ্টমী (বিষ, ক্রকচ) |
| শুক্রবার | প্রতিপদ, ষষ্ঠী, একাদশী | দ্বিতীয়া (ঘাতক); সপ্তমী (ঘাতক, ক্রকচ); দ্বাদশী (ঘাতক); অষ্টমী (দগ্ধ); নবমী (বিষ); দশমী (হুতাশন) |
| শনিবার | চতুর্থী, নবমী, চতুর্দশী | পঞ্চমী (ঘাতক); দশমী (ঘাতক); পূর্ণিমা/অমাবস্যা (ঘাতক); নবমী (দগ্ধ); সপ্তমী (বিষ); একাদশী (হুতাশন); ষষ্ঠী (ক্রকচ) |
⚠️ দুটি দিনে একই তিথি সিদ্ধাও, আবার দোষযুক্তও — বুধবারের দ্বিতীয়া (বিষ) ও শনিবারের নবমী (দগ্ধ)। এমন দিনে কোনটা মানবেন, টীকায় স্পষ্ট নির্দেশ নেই; গুরুত্বপূর্ণ কাজে অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নিন।
কয়েকটা তিথির নির্দিষ্ট নিষেধ
তিথি-বারের মিলের ঠিক পরের শ্লোক (৭) কয়েকটা তিথিতে কয়েকটা কাজ নিষেধ করে:
- ষষ্ঠী — তেল মাখা নয়
- অষ্টমী — মাংস খাওয়া নয়
- চতুর্দশী — ক্ষৌরকর্ম নয়
- অমাবস্যা — স্ত্রীসঙ্গ নয়
- ত্রয়োদশী, দশমী, দ্বিতীয়া — উবটন/তেলমর্দন নয়
- অমাবস্যা, সপ্তমী, নবমী — আমলকী দিয়ে স্নান নয়
টীকায় একটা সূক্ষ্ম কথা আছে: এই নিষেধে তিথি ধরা হয় কাজের সময়ের তিথি, সূর্যোদয়ের তিথি নয়। খাবারের নিয়মের পুরো তালিকা আছে তিথি অনুযায়ী ভক্ষ্য ও অভক্ষ্য পোস্টে।
পরিহার — আবশ্যক কাজে কী হবে
টীকাকার গ্রন্থান্তর থেকে জানিয়েছেন, এই দোষগুলোর বিচার মুখ্যত বিন্ধ্য পর্বত ও হিমালয়ের মধ্যবর্তী অঞ্চলে। আর উপরের সিদ্ধা তিথি নিজেই অনেক দোষ খণ্ডন করে। তবু বিবাহ, গৃহপ্রবেশ বা যাত্রার মতো কাজের মুহূর্ত কেবল তিথি-বার দেখে ঠিক হয় না — নক্ষত্র, যোগ, করণ ও লগ্নও মেলাতে হয়।
বাংলা পঞ্জিকার অমৃতযোগ কি একই জিনিস?
না। বাংলা পঞ্জিকায় (বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত) প্রতিদিন যে অমৃতযোগ ও মাহেন্দ্রযোগ ছাপা হয়, তা দিনের নির্দিষ্ট সময়ের যোগ। এই পোস্টের সিদ্ধা-দগ্ধ-বিষ যোগ গোটা তিথির গুণ, বারের সঙ্গে মিলিয়ে। দুটো আলাদা বিচার, দুটোই দেখা যায়। প্রতিদিনের অমৃতযোগ, মাহেন্দ্রযোগ, বারবেলা ও কালরাত্রি দেখুন আমাদের আজকের পঞ্জিকায়।
নিজে কীভাবে মেলাবেন
১. পঞ্জিকা থেকে আজকের বার আর তিথি (পক্ষ সহ) দেখুন। ২. তিথিটা কোন শ্রেণির — নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা না পূর্ণা — প্রথম সারণী থেকে মিলিয়ে নিন। ৩. "এক নজরে" সারণীতে বারের সারিটা দেখুন — তিথি সিদ্ধার ঘরে থাকলে শুভ, বর্জনীয়ের ঘরে থাকলে এড়িয়ে চলুন। ৪. আজকের নক্ষত্র দগ্ধ বা যমঘণ্ট কি না, সেটাও দেখে নিন।
উদাহরণ — শুক্রবার: প্রতিপদ, ষষ্ঠী ও একাদশী (নন্দা) সিদ্ধা; দ্বিতীয়া, সপ্তমী ও দ্বাদশী (ভদ্রা) ঘাতক — সপ্তমী আবার ক্রকচও; অষ্টমী দগ্ধ, নবমী বিষ, দশমী হুতাশন। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র থাকলে দগ্ধ নক্ষত্র, রোহিণী থাকলে যমঘণ্ট।
❓ প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন ১: তিথি ও বারের শুভ মিল কাকে বলে?
উত্তর: মুহূর্ত চিন্তামণি অনুযায়ী নির্দিষ্ট বারে নির্দিষ্ট শ্রেণির তিথি পড়লে তাকে সিদ্ধা তিথি বলে — শুক্রবারে নন্দা, বুধবারে ভদ্রা, মঙ্গলবারে জয়া, শনিবারে রিক্তা ও বৃহস্পতিবারে পূর্ণা। এটাই তিথি ও বারের শুভ মিল।
প্রশ্ন ২: সিদ্ধা তিথি কী কাজে লাগে?
উত্তর: টীকার উদ্ধৃতি — "সিদ্ধা তিথির্হন্তি সমস্তদোষান্": সিদ্ধা তিথি মাসশূন্য, মাসদগ্ধ, দিনদগ্ধ ইত্যাদি দোষ সরিয়ে কাজ সিদ্ধ করে।
প্রশ্ন ৩: শনিবারে রিক্তা তিথি শুভ না অশুভ?
উত্তর: শনিবারে রিক্তা (চতুর্থী, নবমী, চতুর্দশী) সিদ্ধা — শুভ। তবে শনিবারের নবমী একই সঙ্গে দগ্ধ যোগও, তাই ওই দিনটা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজে জ্যোতিষীর পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন ৪: দগ্ধ যোগ কী?
উত্তর: নির্দিষ্ট বারে নির্দিষ্ট তিথি — রবিবারে দ্বাদশী, সোমবারে একাদশী, মঙ্গলবারে পঞ্চমী, বুধবারে তৃতীয়া, বৃহস্পতিবারে ষষ্ঠী, শুক্রবারে অষ্টমী ও শনিবারে নবমী। মুহূর্ত চিন্তামণি এটিকে শুভকাজে বর্জনীয় বলে। দগ্ধ নক্ষত্র আলাদা জিনিস — বার ও নক্ষত্রের মিল।
প্রশ্ন ৫: যমঘণ্ট যোগ কী?
উত্তর: বার ও নক্ষত্রের অশুভ মিল — রবিবারে মঘা, সোমবারে বিশাখা, মঙ্গলবারে আর্দ্রা, বুধবারে মূলা, বৃহস্পতিবারে কৃত্তিকা, শুক্রবারে রোহিণী, শনিবারে হস্তা। শুভকাজে বর্জনীয়, যাত্রায় অবশ্যই।
প্রশ্ন ৬: বাংলা পঞ্জিকার অমৃতযোগ আর সিদ্ধা তিথি কি একই?
উত্তর: না। অমৃতযোগ-মাহেন্দ্রযোগ দিনের নির্দিষ্ট সময়ের যোগ; সিদ্ধা তিথি গোটা তিথির গুণ, বারের সঙ্গে মিলিয়ে। দুটো আলাদা বিচার।
📚 উৎস: দৈবজ্ঞ রাম, মুহূর্ত চিন্তামণি, শুভাশুভ প্রকরণ, শ্লোক ৪–৯ (মহীধর শর্মার হিন্দি টীকা সহ); বরাহমিহির, বৃহৎসংহিতা ৯৯/২ (তিথির পাঁচ শ্রেণি)।
হস্তরেখা বিচার₹১,০০১ থেকে
জন্মকুণ্ডলী₹১,৫০১ থেকে
বিবাহ মিলন₹২,০০১ থেকে
রত্নপাথরপরামর্শ
বাস্তু শাস্ত্রপরামর্শ
সংখ্যাতত্ত্বপরামর্শ
প্রশ্ন জ্যোতিষপরামর্শ
রাশিফলপ্রতিদিন বিনামূল্যে
পঞ্জিকাবাংলা তারিখ