গণেশ চতুর্থী, শিব চতুর্দশী, দুর্গাষ্টমী, রাম নবমী, কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী—হিন্দু ধর্মের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ উৎসবই কোনো না কোনো তিথিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। কেন? কারণ তিথি শুধু সময়ের একক নয়—এটি মহাবিশ্বের শক্তি, মানবমনের অবস্থা এবং দেবতাত্ত্বিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত এক জ্যোতিষীয় দর্পণ।
গণেশ চতুর্থী পালিত হয় শুক্লপক্ষের চতুর্থীতে, কারণ এই তিথিতে গণেশের আবির্ভাব হয়েছিল বলে পুরাণে উল্লেখ আছে। শিব চতুর্দশী (মহাশিবরাত্রি) পালিত হয় কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে—এটি শিবের তাণ্ডব নৃত্যের দিন। দুর্গাষ্টমী শুক্লপক্ষের অষ্টমীতে, রাম নবমী শুক্লপক্ষের নবমীতে। অর্থাৎ, প্রতিটি উৎসবের পেছনে একটি নির্দিষ্ট তিথির গণিত লুকিয়ে আছে।
আজ আমরা জানব তিথি আসলে কী, কীভাবে এটি নির্ণয় করা হয়, কেন নির্দিষ্ট তিথিতে নির্দিষ্ট দেবতার পূজা করা হয়—সবকিছু জ্যোতিষ দর্শনের ভাষায়, সহজ বাংলায়।
তিথি কী? জ্যোতিষ দর্শনের সংজ্ঞা
তিথি হলো চাঁদ ও সূর্যের মধ্যবর্তী কৌণিক দূরত্বের পরিমাপ। যখন চাঁদ সূর্য থেকে ১২ ডিগ্রি দূরে সরে যায়, তখন একটি তিথি সম্পূর্ণ হয়। অর্থাৎ, সূর্য থেকে চাঁদের দূরত্ব ০ ডিগ্রি থেকে ৩৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত মোট ৩০টি তিথি তৈরি হয়।বরাহমিহিরের বৃহজ্জাতক-এ (২/১) সূর্যকে কালপুরুষের আত্মা আর চন্দ্রকে মন বলা হয়েছে। তিথি জন্মায় এই দুইয়ের পারস্পরিক দূরত্ব থেকে। এই দার্শনিক ব্যাখ্যা থেকেই আমরা বুঝতে পারি—তিথি শুধু সময়ের হিসাব নয়, এটি মন ও আত্মার সম্পর্কের প্রতিফলন।
কেন নির্দিষ্ট তিথিতে নির্দিষ্ট দেবতার পূজা?
মুহূর্ত চিন্তামণি (শুভাশুভ প্রকরণ, শ্লোক ৩) প্রতিটি তিথির একজন অধিপতি দেবতা দিয়েছে, আর টীকাকার বলেন — তিথির অধিপতির পূজা সেই তিথিতেই হয়। অনেক উৎসবের তিথি এই তালিকা থেকেই বোঝা যায়; বাকিগুলো পুরাণে বর্ণিত আবির্ভাবের তিথি—| উৎসব | তিথি | কারণ |
|---|---|---|
| গণেশ চতুর্থী | শুক্লপক্ষের চতুর্থী | চতুর্থীর অধিপতি গণেশ (মুহূর্ত চিন্তামণি ১/৩) |
| মহাশিবরাত্রি | কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী | চতুর্দশীর অধিপতি শিব — তাই প্রতি কৃষ্ণ চতুর্দশীই মাসিক শিবরাত্রি |
| দুর্গাষ্টমী ও মহানবমী | শুক্লপক্ষের অষ্টমী ও নবমী | অষ্টমীর অধিপতি শিব, নবমীর দুর্গা (মুহূর্ত চিন্তামণি ১/৩) |
| রাম নবমী | চৈত্র মাসের শুক্লা নবমী | পুরাণে রামের আবির্ভাবের তিথি |
| কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী | ভাদ্র মাসের কৃষ্ণা অষ্টমী | পুরাণে কৃষ্ণের আবির্ভাবের তিথি |
তিথি গণনার শাস্ত্রীয় সূত্র
মৌলিক সূত্র
প্রাচীন জ্যোতিষ গ্রন্থ সূর্য সিদ্ধান্ত (অধ্যায় ১৪)-তে তিথি গণনার সূত্র দেওয়া আছে—
তিথি = (চন্দ্র দ্রাঘিমা – সূর্য দ্রাঘিমা) ÷ ১২°
ধাপে ধাপে গণনা
ধাপ ১: চন্দ্রের দ্রাঘিমা থেকে সূর্যের দ্রাঘিমা বিয়োগ করুন।
ধাপ ২: প্রাপ্ত মানকে ১২ ডিগ্রি দিয়ে ভাগ করুন।
ধাপ ৩: ভাগফল যে সংখ্যা হবে, সেটিই তিথির ক্রমিক সংখ্যা।
উদাহরণস্বরূপ: - পার্থক্য ০°–১২° = প্রতিপদ (১ম তিথি) - ১২°–২৪° = দ্বিতীয়া (২য় তিথি) - ২৪°–৩৬° = তৃতীয়া (৩য় তিথি) - এভাবে বাড়তে থাকে - ৩৪৮°–৩৬০° = অমাবস্যা বা পূর্ণিমা (৩০শ তিথি)
শুক্লপক্ষ ও কৃষ্ণপক্ষ
- যদি পার্থক্য ০°–১৮০° হয়, তাহলে সেটি শুক্লপক্ষ (উজ্জ্বল পক্ষ)
- যদি পার্থক্য ১৮০°–৩৬০° হয়, তাহলে সেটি কৃষ্ণপক্ষ (অন্ধকার পক্ষ)
প্রাচীন নিয়ম: সূর্যোদয় ভিত্তিক তিথি
শাস্ত্রীয় পদ্ধতির একটি বিশেষ নিয়ম আছে—তিথি সূর্যোদয়ের সময় নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ, সূর্যোদয়ের সময় যে তিথি থাকে, সারা দিন সেই তিথি গণ্য হয়।
📖 গুরুত্বপূর্ণ অংশ: এই কারণেই পঞ্জিকায় একটি তিথি কখন শুরু ও শেষ হচ্ছে, তা বিস্তারিত দেওয়া থাকে। কোনো দিনে যদি একই তিথি সূর্যোদয় থেকে পরের দিন সূর্যোদয় পর্যন্ত চলে, তবে তাকে ‘তিথি বৃত্তি’ বলে।
চন্দ্র ও সূর্যের দ্রাঘিমাংশ কোথায় পাবেন?
তিথি গণনার জন্য চন্দ্র ও সূর্যের দ্রাঘিমাংশ (লংগিচিউড) জানা প্রয়োজন। প্রাচীনকালে এই তথ্য পাওয়া যেত—
১. সূর্য সিদ্ধান্ত সূর্য সিদ্ধান্ত গ্রন্থে গ্রহগুলির গতির বিস্তারিত সারণি (ইফেমেরিস) রয়েছে। এটি প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের সবচেয়ে প্রামাণ্য গ্রন্থ।
২. আর্যভট্টীয় আর্যভট্ট রচিত এই গ্রন্থে গ্রহদের গতির সূত্র ও সারণি দেওয়া আছে।
৩. ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত ব্রহ্মগুপ্ত রচিত এই গ্রন্থেও গ্রহদের অবস্থান নির্ণয়ের পদ্ধতি আছে।
৪. আধুনিক যুগে আজকাল জ্যোতিষ সফটওয়্যার (যেমন মুহূর্ত, জ্যোতিষ গণনা অ্যাপ) বা NASA DE405 ইফেমেরিস থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে দ্রাঘিমাংশ জানা যায়।
৫. পঞ্জিকা সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নির্ভরযোগ্য পঞ্জিকা সংগ্রহ করা, যেখানে প্রতিদিনের সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান বিস্তারিত দেওয়া থাকে।
তিথি ও শুভাশুভ বিচার: জ্যোতিষ দর্শনের বিশ্লেষণ
মুহূর্ত চিন্তামণির শুভাশুভ প্রকরণ তিথিকে তিনভাবে দেখে — অধিপতি দেবতা (শ্লোক ৩), পাঁচটি শ্রেণি (শ্লোক ৪), আর টীকায় (মহীধর শর্মা, রত্নমালা অনুসারে) কোন তিথিতে কোন কাজ সিদ্ধ হয়—| তিথি | অধিপতি | শ্রেণি | কোন কাজ শুভ (টীকা) |
|---|---|---|---|
| প্রতিপদ | অগ্নি | নন্দা | শুক্ল প্রতিপদে বিবাহ, যাত্রা, উপনয়ন, প্রতিষ্ঠা, গৃহপ্রবেশ প্রভৃতি মঙ্গলকর্ম নিষিদ্ধ; কৃষ্ণ প্রতিপদে এর কিছু চলে |
| দ্বিতীয়া | ব্রহ্মা | ভদ্রা | রাজকার্য, উপনয়ন, প্রতিষ্ঠা, বিবাহ, যাত্রা, অলংকার |
| তৃতীয়া | গৌরী | জয়া | দ্বিতীয়ার কাজ, সঙ্গে শিল্প, সীমন্ত, চূড়াকরণ, অন্নপ্রাশন, গৃহপ্রবেশ |
| চতুর্থী | গণেশ | রিক্তা | অগ্নি, অস্ত্র ও কঠোর কাজ চলে; মঙ্গলকর্ম অশুভ |
| পঞ্চমী | সর্প (নাগ) | পূর্ণা | সব শুভকর্ম সিদ্ধ — তবে এদিন ঋণ দিতে নেই |
| ষষ্ঠী | কার্তিকেয় | নন্দা | মঙ্গল ও পুষ্টিকর কাজ, বাস্তু, অলংকার, বস্ত্র; তেল মাখা, পিতৃকর্ম ও দাঁতন নয় |
| সপ্তমী | সূর্য | ভদ্রা | দ্বিতীয়া, তৃতীয়া ও পঞ্চমীর কাজ |
| অষ্টমী | শিব | জয়া | বাস্তু, শিল্প, রাজকার্য, লেখার কাজ, রত্ন ও অলংকার |
| নবমী | দুর্গা | রিক্তা | চতুর্থীর মতো — মঙ্গলকর্ম অশুভ |
| দশমী | যম | পূর্ণা | দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, পঞ্চমী ও সপ্তমীর কাজ |
| একাদশী | বিশ্বেদেব | নন্দা | ব্রত, উপবাস ও ধর্মকর্ম, দেবোৎসব, বাস্তু, শিল্প |
| দ্বাদশী | হরি | ভদ্রা | স্থাবর-জঙ্গম সব কাজ ও পুষ্টিকর শুভকর্ম |
| ত্রয়োদশী | কামদেব | জয়া | দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, পঞ্চমী ও সপ্তমীর কাজ |
| চতুর্দশী | শিব | রিক্তা | চতুর্থীর মতো — মঙ্গলকর্ম অশুভ |
| পূর্ণিমা | চন্দ্র | পূর্ণা | যজ্ঞ, পুষ্টিকর ও মঙ্গলকর্ম, বাস্তু, বিবাহ, শিল্প, অলংকার |
| অমাবস্যা | পিতৃগণ (বৃহৎসংহিতা ৯৯/২) | পূর্ণা | কেবল পিতৃকর্ম — অন্য মঙ্গলকর্ম নয় |
🔗 কোন বারে কোন তিথি শুভ, কোনটা বর্জনীয় — সিদ্ধা তিথি, দগ্ধ, বিষ, হুতাশন ও ক্রকচ যোগের পুরো সারণী: তিথি ও বারের শুভ মিল।
উপসংহার: তিথি—কালের দর্পণ
তিথি নির্ণয়ের পদ্ধতি শুধু একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা নয়। এটি প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতিষ দর্শনের এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত—যেখানে গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, দর্শন আর লোকজীবন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। গণেশ চতুর্থী থেকে শিবরাত্রি, দুর্গাষ্টমী থেকে রাম নবমী—প্রতিটি উৎসবের পেছনে লুকিয়ে আছে তিথির এই গাণিতিক রহস্য।
“তিথি জানলে জানবে সময়ের গুণ, জানবে দেবতার আগমনের মুহূর্ত।
শুক্লে করো শুভ কর্ম, কৃষ্ণে করো পিতৃতর্পণ।।”
❓ প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন ১: গণেশ চতুর্থী কেন শুক্লপক্ষের চতুর্থীতে পালন করা হয়?
উত্তর: পুরাণ অনুসারে ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থীতে গণেশের আবির্ভাব। আর মুহূর্ত চিন্তামণি (শুভাশুভ প্রকরণ, শ্লোক ৩) চতুর্থী তিথির অধিপতি দেবতাও বলেছে গণেশকে — তিথির অধিপতির পূজা সেই তিথিতেই হয়। তাই প্রতি মাসের শুক্ল চতুর্থী বিনায়ক চতুর্থী, আর ভাদ্রেরটি গণেশ চতুর্থী।
প্রশ্ন ২: মহাশিবরাত্রি কেন কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে পালন করা হয়?
উত্তর: মুহূর্ত চিন্তামণি (শ্লোক ৩) অনুযায়ী চতুর্দশী তিথির অধিপতি শিব। তাই প্রতি মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশীই মাসিক শিবরাত্রি, আর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশী মহাশিবরাত্রি। শিবরাত্রিতে পূজা রাতে, তাই দিন ঠিক হয় নিশীথে (মধ্যরাত্রে) চতুর্দশী আছে কি না দেখে।
প্রশ্ন ৩: পূর্ণিমায় কি শুভকর্ম করা যায়? কোন কোন কাজ করা উচিত?
উত্তর: হ্যাঁ। পূর্ণিমা ‘পূর্ণা’ শ্রেণির তিথি, আর মুহূর্ত চিন্তামণির টীকা অনুযায়ী পূর্ণিমায় যজ্ঞ, পুষ্টিকর ও মঙ্গলকর্ম, বাস্তুকর্ম, বিবাহ, শিল্প ও অলংকারের কাজ সিদ্ধ হয়। স্নান-দান, সত্যনারায়ণ ব্রত, লক্ষ্মীপূজাও পূর্ণিমার প্রচলিত কাজ। তবে কোনো নির্দিষ্ট কাজের দিন ঠিক করতে তিথির সঙ্গে নক্ষত্র, যোগ, করণ ও লগ্নও দেখতে হয়।
প্রশ্ন ৪: আমি কীভাবে নিজে তিথি নির্ণয় করতে পারি? চন্দ্র ও সূর্যের দ্রাঘিমাংশ কোথায় পাব?
উত্তর: নিজে তিথি গণনা করতে চাইলে চন্দ্র ও সূর্যের দ্রাঘিমাংশ জানতে হবে। এই তথ্য পেতে পারেন—(ক) সূর্য সিদ্ধান্ত, আর্যভট্টীয় প্রভৃতি প্রাচীন গ্রন্থ থেকে, (খ) আধুনিক জ্যোতিষ সফটওয়্যার (মুহূর্ত, জ্যোতিষ গণনা অ্যাপ) থেকে, (গ) NASA DE405 ইফেমেরিস থেকে, (ঘ) নির্ভরযোগ্য পঞ্জিকা থেকে। সাধারণ মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য পঞ্জিকা ব্যবহার করাই সবচেয়ে সহজ ও উত্তম পদ্ধতি।
প্রশ্ন ৫: একাদশী উপবাস কেন করা হয়?
উত্তর: একাদশী ব্রত ধর্মশাস্ত্র ও পুরাণে বর্ণিত বিষ্ণুর ব্রত। মুহূর্ত চিন্তামণির টীকাতেও একাদশী ব্রত, উপবাস ও ধর্মকর্মের তিথি। মাসে দুটি একাদশী — শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষে — আর প্রতিটির আলাদা নাম ও মাহাত্ম্য পুরাণে বর্ণিত।
প্রশ্ন ৬: অমাবস্যায় কেন নতুন কাজ শুরু করা নিষেধ?
উত্তর: মুহূর্ত চিন্তামণির টীকা বলে, অমাবস্যায় কেবল পিতৃকর্ম — অন্য মঙ্গল বা পুষ্টিকর কাজ নয়। বরাহমিহিরের বৃহৎসংহিতাও (৯৯/২) অমাবস্যাকে পিতৃগণের তিথি বলেছে। তাই অমাবস্যায় তর্পণ ও শ্রাদ্ধ করা হয়, নতুন শুভকাজ শুরু হয় না।
প্রশ্ন ৭: একই তিথি কেন বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন হয়?
উত্তর: তিথির শুরু ও শেষ একটাই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মুহূর্ত — সারা পৃথিবীতে একই সময়ে ঘটে, কেবল ঘড়ির সময় আলাদা দেখায়। কিন্তু দিনের তিথি ধরা হয় সূর্যোদয়ের মুহূর্তে, আর সূর্যোদয় জায়গাভেদে আলাদা — কলকাতা আর মুম্বইয়ের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা। তাই তিথি-বদল সূর্যোদয়ের কাছাকাছি হলে এক শহরে যে তিথি, অন্য শহরে সেদিন তার আগেরটা থাকতে পারে।
📖 পরবর্তী পোস্টের ঘোষণা
আজ আমরা জানলাম তিথি নির্ণয়ের পদ্ধতি—শাস্ত্র ও বিজ্ঞানের আলোকে। পরবর্তী পোস্টে আমরা জানব নক্ষত্র নির্ণয়ের পদ্ধতি। সেখানে দেখা হবে চাঁদের অবস্থানের সাথে ২৭ নক্ষত্রের সম্পর্ক—যেখানে জন্মের ভাগ্য লিপিবদ্ধ থাকে।
✍️ লেখক: ড. প্রদ্যুৎ আচার্য 📌 MyAstrology Ranaghat-এর পক্ষ থেকে—জ্যোতিষকে জানার, বোঝার, নিজের করে নেওয়ার আহ্বান।
হস্তরেখা বিচার₹১,০০১ থেকে
জন্মকুণ্ডলী₹১,৫০১ থেকে
বিবাহ মিলন₹২,০০১ থেকে
রত্নপাথরপরামর্শ
বাস্তু শাস্ত্রপরামর্শ
সংখ্যাতত্ত্বপরামর্শ
প্রশ্ন জ্যোতিষপরামর্শ
রাশিফলপ্রতিদিন বিনামূল্যে
পঞ্জিকাবাংলা তারিখ